Sushant-singh-rajput লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Sushant-singh-rajput লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২০

DIL BECHARA REVIEW - জেনে নিন সুশান্ত অভিনিত শেষ ছবি 'দিল বেচারা' র গল্প

অবশেষে ২৪ জুলাই মুক্তি পেল সুশান্ত সিং রাজপুত (Sushant Sing Rajput) অভিনিত শেষ ছবি 'দিল বেচারা' (Dil Bechara), আজ আমরাো 'দিল বেচারা ছবিটির গল্প' নিয়ে আলচোনা করব।

'দিল বেচারা' হল সেই ছবি যা দেখার জন্য  'সুশান্ত সিং রাজপুতের' অগুনিত ভক্ত ও সিনেমা প্রেমিরা এতদিন আগ্রহে ভরে অপেক্ষা করছিলেন,  অন্যান্য ছবির থেকে 'দিল বেচারা' দেখার জন্য যে  আলাদা আবেগ কাজ করবে সুশান্ত সিং রাজপুত এর ভক্ত ও সিনেমা প্রেমিদের মনে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। 

দিল বেচারা (বাংলা অসহায় হৃদয় ) চলচ্চিত্রটি  জন গ্রিনের ২০১২ সালের উপন্যাস দ্য ফল্ট ইন আওয়ার স্টারস  এর হিন্দি চলচ্চিত্র রূপান্তর, মুখেশ ছাবড়ার (Mukhesh Chabra) পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র এবং সুশান্ত সিং রাজপুত এর অভিনিত শেষ চলচ্চিত্র, যিনি চলচ্চিত্র মুক্তি পাওয়ার আগে ২০২০-এ ১৪ই জুন মারা গিয়েছিলেন। নায়িকা হিসাবে সঞ্জনা সংঘী ( Sanjana Sanghi ) এর অভিনিত প্রথম সিনেমা হল দিল বেচারা।
হ্যাঁ, ছবি দেখার চাইতে 'দিল বেচারা'তে সুশান্তকে দেখার ইছেতাই যেন নিজের অজান্তেই মনের মধ্যে অগ্রাধিকার পায়। ছবির শুরুর দিকে কিজি বসুর (সঞ্জনা সঙ্ঘী) মুখ থেকে  'এক থা রাজা, এক থি রানি। দোনো মর গ্যায়ে, খতম কাহানি, পর অ্যায়সি কাহানিয়া কিসকো আচ্ছি নেহি লাগতি', ডায়ালগটা শুনে কিছুটা চমকে জেতেই হয়, তবে গুল্পটি আরো জমে ওঠে যখন ম্যানির উপস্থিতি ঘটে কিজি বসু এর জীবনে। নাহ... কিজির গল্প কিন্তু শেষ হতে দেননি ম্যানি। ক্যান্সারে আক্রান্ত, বাবা-মাকে ঘিরে চলা কিজির 'বোরিং', মৃতপ্রায় জীবনে নাতুন করে আশার আলোর সঞ্চার করেন ম্যানি ওরফে ইম্যানুয়েল রাজকুমার জুনিয়র ওরফে সুশান্ত সিং রাজপুত। নিজের জন্য নয়, প্রেমিকা,বন্ধু কিজির ইচ্ছাপূরণ করতেই যেন নতুন করে শুরু হয় ম্যানির পথ চলা। কিজি বসুর সাথে দেখা হবার পর ম্যানি যেন তার নিজের  জীবনেও নতুন আলোর হদিস পায়।

'' আমিও অনেক বড় বড় স্বপ্ন দেখি, তবে সেগুলো পূরণ করতে ইচ্ছা করে না'', কিজির বাবাকে এরকমি বলে ছিল সুশান্ত, থুরি ম্যানি।

কিজি আর ম্যানি'র জীবনের মিষ্টি আবেগঘন একটা স্বল্প সময়ের প্রেমের গল্প হল এই 'দিল বেচারা' । তবে এই স্বল্প সময়ে কিভাবে দাপিয়ে বেড়ানো যায়, জীবনকে উপভোগ করে বেঁচে থাকা যায়, জীবনের শেষ ছবিতে তা আরও একবার  শিখিয়ে দিয়ে গেলেন সুশান্ত। সত্যিই তো ''জন্ম কবে, মৃত্যু কবে, তা আমরা ঠিক করতে পারি না, তবে কীভাবে বাঁচবো সেটা তো  আমরা ঠিক করতে পারি''। 

“Janam kab lena hai aur marna kab hai yeh hum decide nehi kar sakte, lekin kaise jeena hai woh toh hum decide kar sakte hai”

দিল বেচারা চলচ্চিত্রটিতে কিজি ও ম্যানি দুজনেই জানে যে- মৃত্যু তাঁদের দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে কড়া নাড়ছে। তবু সেই কড়া নাড়ার শব্দকে এড়িয়ে জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত কিভাবে উপভোগ করতে হয় সেটাই শিখিয়ে দিয়ে গেলেন দিল বেচারার ম্যানি। 


ছবির শেষের দিকে ম্যানির লেখা চিঠিতে ''ইয়ে রাজা তো মর গ্যায়া, পর মেরি রানি আভি জিন্দা হ্যায়, আর তবতক মেরি কাহানি ভি জিন্দা হ্যায়''। এই ডায়ালগটাতেও যেন বাস্তবের সঙ্গে অদ্ভুত মিল।

ছবিতে সুশান্ত এর চরিত্রটি যেন মনে করিয়ে দেয় আনান্দ ছবির রাজেশ খান্না (Rajesh Khana) কে।
যাইহোক  সুশান্ত সিং রাজপুতের পাশাপাশি ছবিতে অনবদ্য অভিনয় করেছেন কিজি বসু ওরফে সঞ্জনা সঙ্ঘী। 'রকস্টার', 'হিন্দি মিডিয়াম'-এর সেই ছোট্ট সঞ্জনা যে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিনয়েও যে পরিণত হয়েছেন তা 'দিল বেচারা' তে তার অভিনয় দেখলেই বোঝা যায়। সুশান্তময় এই ছবিতে আলাদা করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নেবে সঞ্জনা সঙ্ঘী এর অভিনয়।   

ছবিটিতে আলাদা করে মন ছুঁয়ে যায় কিজির মা-বাবার ভূমিকায় স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয়, বলার অপেক্ষা রাখেনা ছবিটিকে পূর্ণতা দিতে তাঁদের ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। 

অতিথি শিল্পীর ভূমিকায় ভাল অভিনয় করেছেন সইফ আলি খান (Saif Ali Khan)এ আর রহমান  (A R Rahaman) এর মিউজিক আলাদা করে দর্শকদের মণ ছূয়ে যেতে বাধ্য। 

চিত্রনাট্য ছোটখাটো কিছু ফাঁক ফোঁকর থাকলেও সবকিছুই ঢাকা পড়ে গিয়েছে কান্না-হাসি-মজা তে ভরা দিল বেচারা ছবির গল্পে।

[full_width]

শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২০

'সুশান্ত অবসাদগ্রস্ত ছিল না'' সুশান্ত কে নিয়ে প্রথম বার মুখ খুললেন অঙ্কিতা লোখান্ডে

বিকাশ বাংলা সংবাদ: সুশান্ত সিং রাজপুতের রহস্য জনক মৃত্যু নিয়ে এবার মুখ খুললেন তাঁর প্রাক্তন বান্ধবী অঙ্কিতা লোখান্ডে। সম্প্রতি রিপাবলিক টিভির লাইভ অনুষ্ঠানে প্রথমবার সুশান্ত কে নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেন তার প্রাক্তন বান্ধবী অঙ্কিতা। তিনি স্পষ্ট বলেন সুশান্ত কখনওই মানসিক ভাবে অবসাদগ্রস্ত ছিলেন না।
সুশান্ত সিং রাজপুত

অঙ্কিতাকে প্রকাশ্যেই বলতে শোনা যায়-
''সুশান্তকে যেভাবে বারবার মানসিক অবসাদগ্রস্ত বলা হচ্ছে, সেটা সবথেকে বড় ভুল শব্দ। কোনওভাবেই এটা সত্যি হতে পারে না। কোনও ঘটনায় সুশান্তের সাময়িক মন খারাপ হতে পারে, তাকে মানসিক অবসাদ বলা যায় না। মানসিক অবসাদ শব্দটা অনেক বড় শব্দ। কোনও কারণ ছাড়াই কীভাবে কেউ কাউকে মানসিক অবসাদগ্রস্ত বলতে পারেন?''
বেশকিছুটা উত্তেজনার বশবর্তী হয়েই অঙ্কিতাকে এই জাতীয়  মন্তব্য করতে শোনা গেল-
সুশান্ত আঙ্কিতা লোখান্ডে
রিপাবলিক টিভির প্রতিবেদন অনুসারে অঙ্কিতা লোখান্ডে বলেন-
''যখন আমি প্রথম শুনলাম ও আত্মহত্য করেছে, বিষয়টা আমি মানতে পারিনি। এটা বিশ্বাস করতে আমার বেশ কিছুটা সময় লেগেছে। সুশান্ত সেইধরনের ছেলেই ছিল না, যে কোনও কিছুতে মন খারাপ করে এত বড় পদক্ষেপ নেবে। আমরা যখন একসঙ্গে থাকতাম, তখন আরও অনেক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছি আমরা। সুশান্তের ঘরের বিভিন্ন ভিডিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছিল। অনেকেই বলছেন এটা আত্মহত্যা বললেও আমি বিশ্বাস করিনি। সুশান্ত ডায়েরি লিখতে ভালো বাসতো, আমরা যখন সম্পর্কে ছিলাম, তখন ও লিখেছিল আগামী ৫ বছর পর ও নিজেকে কোথায় দেখতে চায়। আর ও সেই জায়গায় নিজেকে পৌঁছে নিয়ে গিয়েছিলো অনেকেই ওকে দিমেরুর মানুষ বলছেন। আমি জোর গলায় বলতে পারি, ও মানসিক অবসাদগ্রস্ত ছিল না, সকলেই মনে করছেন, তাঁরা সুশান্তকে জানেন, এটাই কষ্ট দিচ্ছে, ও খুবই আবেগপ্রবণ ছিল, একেবারে ছোটো শিশুদের মতো, ও বলত ও চাষাবাদ করবে, আর কিছুই না হলে শর্টফিল্ম করবে, মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার  মতো ছেলে ও কখনওই ছিল না।"

কীভাবে সরষে ইলিস রান্না করবেন - সরষে ইলিশ রান্নার রেসিপি

সরষে ইলিশ রান্নার পদ্ধতি- বন্ধুরা ইলিশ মাছ খেতে কোন বাঙালি না ভালো বাসে বলুন ? আর তাই যদি হয় সরষে দিয়ে ইলিশ তাহলে তো যে কোনও বাঙ্গালির জিভে ...